• ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

President

খেলার দুনিয়া

ফাইনালে যাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, সামনে এল চমকপ্রদ কারণ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে রবিবার স্পেনের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই মহারণে বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি প্রত্যাশিত। তবে সবার নজর কেড়েছে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই-এর সিদ্ধান্ত।ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তিনি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন না।কুসংস্কারই সিদ্ধান্তের মূল কারণআর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মিলেই বিশ্বাস করেন যে তিনি যেভাবে পুরো বিশ্বকাপ চলাকালীন বুয়েনস আইরেসের সরকারি বাসভবন থেকেই প্রতিটি ম্যাচ দেখেছেন, সেই রীতি ভাঙলে দলের ভাগ্যে প্রভাব পড়তে পারে।তিনি নিজের এই ম্যাচ-ডে রুটিনকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন। এমনকি একটি নির্দিষ্ট জ্যাকেটও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরেন, যা তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী আর্জেন্টিনার জন্য শুভ। তাই ফাইনালের মতো ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে সেই অভ্যাস বদলাতে নারাজ তিনি।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে কাবালাআর্জেন্টিনায় ফুটবলকে ঘিরে কাবালা (Cbala) বা সৌভাগ্যের কুসংস্কার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। সমর্থক থেকে শুরু করে খেলোয়াড়অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম! বিশ্বকাপজয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে দেওয়া হবে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ফিফার নজিরবিহীন সিদ্ধান্তবিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট মিলেইও সেই সংস্কৃতিরই অংশ। তাঁর বিশ্বাস, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলবেন, ততক্ষণ আর্জেন্টিনার সৌভাগ্য অটুট থাকবে।ঐতিহাসিক ম্যাচের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্বরবিবারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একদিকে লামিনে ইয়ামালদের স্পেন, অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর আর্জেন্টিনা।বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর এখন এই মহারণের দিকে। আর সেই সময় দেশের প্রেসিডেন্ট মাঠে না থাকলেও, নিজের লাকি রুটিন বজায় রেখে টেলিভিশনের সামনে থেকেই দলের জন্য শুভকামনা জানাবেন হাভিয়ের মিলেই।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বড় ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের! এক ঝটকায় প্রকাশ জেলা সভাপতিদের তালিকা, তৃণমূলে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে সেই অপেক্ষা না করেই সংগঠন গঠনের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে গেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শনিবার তপসিয়ায় বৈঠক করে একাধিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।শনিবার দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে তৃণমূলের বহু পুরনো নেতাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী-সহ একাধিক নেতা। বৈঠকে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষও। ভোটের পর দীর্ঘদিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বৈঠকে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি এখনও মমতাকেই হৃদয়ে রাখেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।বৈঠকের পর কৃষ্ণনগর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেবের শেখকে। আলিপুরদুয়ারের সভাপতি করা হয়েছে বিনোদ মিঞ্জকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব পেয়েছেন মহুয়া গোপ এবং দার্জিলিং জেলার সভাপতি হয়েছেন রঞ্জন সরকার।বহরমপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেভিডকে। মালদার সভাপতি করা হয়েছে প্রসূনকে। যাদবপুর এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন শুভাশিস দাস।দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা এবং কোহিনুর।নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক ঘোষণা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশ্যে তুলে ধরারই চেষ্টা করেছে ঋতব্রত শিবির।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাংলায় বড় ধাক্কা! রাজ্যপালের পদত্যাগে কি আসছে রাষ্ট্রপতি শাসন? বাড়ছে জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আগামী সাত মে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ফলে তার আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। কিন্তু হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আচমকা রাজ্যপালের পদত্যাগ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর, তাঁকে আচমকা দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপরই তিনি পদত্যাগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে আর এন রবি-কে। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে মুর্শিদাবাদে বড় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচন করানো উচিত। তাঁর বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বাংলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো কঠিন হতে পারে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে তবেই সবাই নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন।বর্তমানে ভোটার তালিকা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেলেও এখনও প্রায় ষাট লক্ষ নামের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ছয় লক্ষ পনেরো হাজার ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। বাকি চুয়ান্ন লক্ষ নথি যাচাই করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করা হলেও এত কম সময়ে সব নথি যাচাই করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাত মে সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও অনেকের মত। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হয়, তাহলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও পথ থাকবে না বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।এর মধ্যেই রাজ্যপাল পরিবর্তনের খবর জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের মতে, এই ধরনের জটিল পরিস্থিতি সামলাতে এমন একজন রাজ্যপাল প্রয়োজন যাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক বোঝাপড়া রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।এদিকে শাসক দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। রাজ্যপালের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক এবং নির্বাচনের সময়সীমাসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

এআই সম্মেলনে অর্ধনগ্ন বিক্ষোভ, ভোরে গ্রেপ্তার যুব কংগ্রেস নেতা উদয় ভানু চিব

দিল্লির সম্মেলন কাণ্ডে গ্রেপ্তার হলেন যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত থেকে প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সকালে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিলক মার্গ থানায় ডেকে জেরা করার সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিল্লির ভারতমণ্ডপম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এআই সম্মেলনে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় অর্ধনগ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখান যুব কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সেই ঘটনার সঙ্গে উদয়ের যোগ রয়েছে বলেই পুলিশের দাবি। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং স্যাম অল্টম্যান সহ একাধিক অতিথির উপস্থিতিতে আচমকাই বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান লেখা পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখালে সেখানে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানান এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। তদন্তকারীদের দাবি, এই বিক্ষোভ পূর্বপরিকল্পিত এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ধাঁচে এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন, এমন প্রতিবাদ দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অস্বস্তিকর। বিরোধী শিবিরের একাংশও বিদেশি অতিথিদের সামনে এই ধরনের আচরণের সমালোচনা করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান, সন্ধ্যাতেই শপথ খেমচাঁদ সিংয়ের

রাষ্ট্রপতি শাসন উঠে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন সরকার পেল মণিপুর। বুধবার সন্ধ্যায় শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। তাঁর সঙ্গে শপথগ্রহণ করেন দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী নেমচা কিপগেন ও লোসি দিখো। একই সঙ্গে শপথ নেন রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্থুজাম।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে প্রায় এক বছর পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান হয়। তার পরেই সন্ধ্যা ছটা নাগাদ রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ অস্থিরতার পর রাজ্যে ফের নির্বাচিত সরকারের সূচনা হল।মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আবহে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বিরেন সিং। তার পরেই কেন্দ্রের নির্দেশে মণিপুর বিধানসভা স্থগিত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটল বুধবার।হিংসা থামাতে ও সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে বিশেষ কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মেইতেই সম্প্রদায় থেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইউমনাম খেমচাঁদ সিংকে। কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নেমচা কিপগেন। দ্বিতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখো নাগা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।২০২৩ সাল থেকে ভয়াবহ জাতিগত সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছিল মণিপুর। সেই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০০-রও বেশি মানুষ। ঘরছাড়া হয়েছেন লক্ষাধিক। দীর্ঘ সময় ধরে সেনা ও আধাসেনার কড়া নজরদারিতে ছিল রাজ্য। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন।নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রাজ্যে শান্তি ও আস্থা ফেরানো। হিংসা যাতে নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, সে দিকেই নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজনীতি

মমতার বাধাতেই থমকে কেন্দ্রীয় প্রকল্প, বাংলায় ভোটের আগে বড় বার্তা বিজেপি সভাপতির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাধার কারণেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে নাএই অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী নির্বাচনে লড়াইয়ের নির্দেশ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা দেন তিনি।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য-সহ বাংলার দায়িত্বে থাকা একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নীতিন নবীন প্রথমে সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন। এরপর একে একে প্রত্যেক সাংসদের লোকসভা এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কোথায় কী উন্নয়ন হয়েছে, কোথায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সাংসদদের নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সরকারের বাধার কারণেই একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে।প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই প্রথমবার বাংলায় এসেছিলেন নীতিন নবীন। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সেই সুরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন।একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি পাল্টা দাবি করছে, দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ছাড়া হচ্ছে না। সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই ইস্যুকে আরও জোরালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা নয়, কেন বর্ধমান? বিজেপি সভাপতির সফর ঘিরে জল্পনা

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছেন নীতীন নবীন। সামনে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে বিজেপির বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থান দেখে ভোটের লড়াই যে সহজ হবে না, তা দলের অন্দরেও মানা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতি বুঝেই সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সফরের জন্য বাংলা বেছে নিলেন নীতীন নবীন।তবে কলকাতাকে এড়িয়ে তিনি যাচ্ছেন মধ্যবঙ্গে। বিজেপির মতে, এই অঞ্চল এখনও সম্ভাবনাময়। বর্ধমান ও দুর্গাপুরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মেলার উদ্বোধন, দলীয় বৈঠক এবং জনসভাসব মিলিয়ে ব্যস্ত সূচি তৈরি করা হয়েছে। শনিবার বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক নীতীন নবীনের চূড়ান্ত সফরসূচি প্রকাশ করেছেন।জানা গিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি দুর্গাপুরে এসে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারের জন্য আয়োজিত কমল মেলার উদ্বোধন করবেন নীতীন নবীন। পরদিন ২৮ জানুয়ারি সকালে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জেলা কমিটির সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করবেন তিনি। দুর্গাপুরের মেলা ময়দানে একটি জনসভাও করার কথা রয়েছে তাঁর।নীতীন নবীনের বঙ্গ সফর শুরু হচ্ছে দুর্গাপুর থেকেই। ইস্পাত নগরীর রাজীব গান্ধী স্মারক ময়দানে কমল মেলার উদ্বোধন দিয়েই তাঁর প্রথম কর্মসূচি। ওই দিন রাতে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই হোটেলটি আগের বিধানসভা ভোটে বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিল। প্রয়াত কয়লা মাফিয়া ও বিজেপি নেতা রাজু ঝাঁয়ের ওই হোটেলকে ঘিরে সে সময় রাজনৈতিক সমালোচনা হয়েছিল।২৮ জানুয়ারি সকালে ভিড়িঙ্গি কালীবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন নীতীন নবীন। পরে রানিগঞ্জে আসানসোল জেলার কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোটের রণকৌশল নিয়েই এই বৈঠকগুলি।২৭ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই কমল মেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নীতীন নবীন ছাড়াও উপস্থিত থাকার কথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ রাজ্য নেতৃত্বের। মেলায় প্রায় ৮০টি স্টল থাকবে, যেখানে কোনও টাকা ছাড়াই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে।তবে এই কমল মেলাকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। দুর্গাপুর নাগরিক সমাজ-এর নামে এই মেলার আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বক্তব্য, যারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝে না, তারা বহিরাগতদের এনে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে বড়াই করছে।এর মধ্যেই জানা যাচ্ছে, নীতীন নবীনের পরপরই বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দলীয় সূত্রে খবর, ৩০ জানুয়ারি রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন তিনি। ৩১ জানুয়ারি শিলিগুড়িতে কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ওই দিন বারাসতেও জনসভা করার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে জানুয়ারি মাসেই একের পর এক কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার বঙ্গ সফর রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর গাড়িতে বৈঠক, তারপর একের পর এক চুক্তি— দিল্লিতে ঝড় তুললেন শেখ মহম্মদ

ঘণ্টা তিনেকের ঝটিকা সফর। এলেন, বৈঠক করলেন, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করলেন, তারপরই ফিরে গেলেন। সোমবার সুদূর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে করে দুই রাষ্ট্রনেতা বৈঠকে যান।এই সফরের একাধিক মুহূর্ত নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মোদী লেখেন, প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ তাঁর ভাইয়ের মতো, তাঁর এই সফর ভারত ও আরব আমিরশাহির গভীর ও দৃঢ় বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এসেছিলেন আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই বৈঠকে বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি, মহাকাশ গবেষণা, খাদ্য সুরক্ষা এবং ডিজিটাল সহযোগিতার মতো একাধিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার হয়েছে।গুজরাটের ধোলেরায় বিশেষ বিনিয়োগ অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য সম্মতিপত্রে সই হয়েছে। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও গভীর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এবং আবু ধাবির ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির চুক্তি হয়েছে। ভারতে সুপার কম্পিউটিং ক্লাস্টার গড়তে আরব আমিরশাহির সহযোগিতার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। দুই দেশই ২০৩২ সালের মধ্যে ভারত-আরব আমিরশাহির বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।এছাড়া গুজরাটে আবু ধাবি ব্যাঙ্ক ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের অফিস খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ, যার ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা। ডিজিটাল দূতাবাস স্থাপন এবং আবু ধাবিতে ভারতীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে হাউজ অব ইন্ডিয়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে দুই দেশের যুব সমাজের আদানপ্রদান আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তেও সহমত হয়েছে নয়াদিল্লি ও আবু ধাবি।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বিধায়ক থেকে একেবারে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব: বিজেপির তরুণ মুখ হিসেবে নীতিন নাবীন বড় দায়িত্বে

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রবিবার পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৃহৎ সিদ্ধান্তে নীতিন নাবীনকে দলের সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Working President) হিসেবে নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ আজই জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী হয়েছে। নীতিন নাবীন বর্তমানে বিহার সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী এবং পাটনার বাঁকিপুর থেকে নির্বাচিত চারবারের বিধায়ক। তিনি বিহার বিজেপির সাংগঠনিক কাজ ও সরকারি দায়িত্বে দীর্ঘদিন কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।এই পদে নিযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে নীতিন ভবিষ্যতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। দল জানিয়েছে, নীতিন নাবীনের নিযুক্তি সংগঠনে নবীন শক্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতিন নাবীনের এই নিযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে দলের সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।भाजपा के नवनियुक्त राष्ट्रीय कार्यकारी अध्यक्ष श्री नितिन नबीन के 15 दिसंबर, 2025 को नई दिल्ली में कार्यक्रम।लाइव देखें:📺https://t.co/OaPd6HRrq3📺https://t.co/vpP0MIos7C📺https://t.co/lcXkSnOnsV📺https://t.co/4XQ2GzrhRl pic.twitter.com/lZEgmFF6jf BJP (@BJP4India) December 14, 2025অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বও নীতিন নাবীনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক প্রভাব দলের এগিয়ে চলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিবর্তনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের নবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন গতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ২০২৫২৬ সালে আসন্ন রাজ্য ও লোকসভা পরিস্থিতি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপলক্ষে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই দূতাবাসে উধাও রাষ্ট্রপতির ছবি! সাহাবুদ্দিনের বিস্ফোরক অভিযোগ—‘আমাকে কোণঠাসা করা হয়েছে’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তাল। অপমান সহ্য করতে না পেরে নিজের পদ ছেড়ে দিতে চাইছেন দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরই তিনি ইস্তফা দিতে চান বলে জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তাঁকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছেন এবং কোণঠাসা করে রেখেছেন।রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি দায়িত্ব পালন করছেন শুধুমাত্র সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে। কিন্তু তিনি পদ ছাড়তে আগ্রহী। তাঁর কথায়, গত সাত মাসে ইউনূস একবারও তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিভাগও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় অপমান, গত সেপ্টেম্বর হঠাৎই বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিন বলেন, এক রাতেই সব দূতাবাস থেকে আমার ছবি উধাও হয়ে গেল। মানুষ ভুল বার্তা পেল যে হয়তো রাষ্ট্রপতিকে সরানো হচ্ছে। এটা ভীষণ অপমানের। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি লিখিতভাবে জানালেও ইউনূস কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতির পদে আসেন সাহাবুদ্দিন। যদিও এই পদটি মূলত প্রতীকী, প্রকৃত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর, রাষ্ট্রপতিই ছিলেন একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে পাশ কাটানোর অভিযোগ উঠছে।তবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সেনাপ্রধান স্পষ্ট বলেছেন, তাঁর সামরিক ক্ষমতা নেওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই। বরং তিনি চান দেশে গণতন্ত্র ফিরুক।বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই বক্তব্য যে নতুন ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ডুমুরজলায় অত্যাধুনিক স্পোর্টস আকাদেমি গড়বে সিএবি, সভাপতি হিসেবে ফিরেই একাধিক বড় ঘোষণা সৌরভের

আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলার ক্রিকেট প্রশাসনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সিএবির সভাপতি হিসেবে তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবলই এক পুরনো মুখের পুনরাগমন নয়, বরং বাংলার ক্রিকেটকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি।সচিব পদে ফিরে এলেন অভিজ্ঞ বাবলু কোলে, সহ সভাপতি হয়েছেন নীতীশ রঞ্জন দত্ত। যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মদন ঘোষ এবং কোষাধ্যক্ষ হলেন সঞ্জয় দাস। অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মএই দুইয়ের মেলবন্ধনেই গঠিত হয়েছে নতুন প্রশাসনিক টিম।বাইপাসের ধারের হোটেলে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সকলেই চলে আসেন ক্রিকেটের নন্দনকাননে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ নতুন পদাধিকারীদের স্বাগত জানাতে সুসজ্জিত ছিল ক্রিকেটের নন্দনকানন।ইডেন গার্ডেন্সে নবনিযুক্ত পদাধিকারীদের সংবর্ধনা যেন বাংলার ক্রিকেটের নতুন দিগন্তকেই প্রতীকীভাবে তুলে ধরল। আমি ব্যাট করতে নামব না, কিন্তু দিশা দেখাতে পারিএই একবাক্যে সৌরভ বুঝিয়ে দিলেন তাঁর ভূমিকার সারকথা। খেলোয়াড়রাই বাংলার ভবিষ্যৎ গড়বেন, প্রশাসনের দায়িত্ব কেবল তাঁদের প্রাপ্য সুযোগ ও পরিকাঠামো নিশ্চিত করা।এদিন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিনিয়ররা আছেন। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের ১১ জন রয়েছেন। যাঁরা আমাকে এই জায়গায় আসতে সাপোর্ট করেছেন তাঁরা সকলে আছেন। ঝুলন গোস্বামী, মনোজ তিওয়ারি, লক্ষ্মীরতন শুক্লার মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা রয়েছেন। সকলে মিলে বসেই আগামীর পরিকল্পনা ঠিক করব। অনেকে বলেন, বাংলার ক্রিকেটে এটা নেই, ওটা নেই, স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় কিন্তু এদিনই মনে করান ২০১৯ ও ২০২২ সালে রঞ্জি ফাইনাল খেলেছে বাংলা।ডুমুরজলায় ৯ একর জমিতে বিশ্বমানের স্পোর্টস আকাদেমি গড়ার পরিকল্পনা সিএবির ভিশনের কেন্দ্রবিন্দু। ইতিমধ্যেই ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ভবিষ্যতে স্টেডিয়াম নির্মাণ ও ইডেন সংস্কারের প্রকল্পও সেই পরিকল্পনার অংশ। সৌরভ জানালেন, ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপের পর ইডেন গার্ডেন্সে সেনাবাহিনীর অনুমতি নিয়ে আধুনিকীকরণের কাজ শুরু হবে।বাংলার ক্রিকেটকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শোনা যায় নানা সমালোচনাপরিকাঠামোর অভাব, প্র্যাকটিসে ঘাটতি, সুযোগের ঘাটতি। সৌরভের বক্তব্য, এসব মিটিয়েই এগোতে হবে। ক্রিকেটের মূল ভিত্তি হলো পরিকাঠামো + সুযোগ + অনুশীলন, এবং সেখানেই দরকার প্রশাসনিক দিকনির্দেশ।আগামী নভেম্বরেই ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছেন মহারাজ। টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অগাধ আবেগ এখনো অটুট। সেইসঙ্গে সামনে বিশ্বকাপ, আইপিএলসব মিলিয়ে ব্যস্ত ক্রিকেট বর্ষপঞ্জির সঙ্গেই চলবে সিএবির নবযাত্রা।মহারাজের কথায়, তাঁর ডানদিক-বাঁদিকে অনেকে আছেন তাঁদের অনেকেই পদে না থেকেও সাপোর্ট করেন। সকলে মিলে সিএবি চালাবেন। এতো খেলা হয়, এতো লিগ। পরিকাঠামো আছেই। সামান্য কিছু অদলবদল করতে হয়। সৌরভ বলেন, বাবলু কোলে আমার চেয়েও বেশি সিএবি প্রশাসন চালিয়েছেন। তিনজন নতুন। কোনও রকেট সায়েন্স নেই। ভিশন চলবে। সিএবি এজিএমের আগে নানা বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল। সৌরভ এ সবে আমল দেননি। তিনি বলেন, সমস্যা সব কিছুতেই থাকে। লোধা হওয়ার পর বিসিসিআই চলেছে, সিএবিও চলবে। অন্যদিকে বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে মিঠুন মানহাসের আসীন হওয়া নিয়েও সৌরভ আশাবাদী। তাঁর মতে, দিল্লির প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বোর্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।সিএবি প্রশাসনের এই নতুন পর্ব তাই কেবল পদ পরিবর্তনের খবর নয়এ এক ভবিষ্যতের পরিকল্পনার রূপরেখা। যেখানে বাংলার ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও পরিকাঠামো পেয়ে আরও শক্তভাবে উঠে আসবে জাতীয় মঞ্চে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

দেশের নয়া উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন, বিরোধী প্রার্থী পরাজিত ১৫২ ভোটে

এনডিএ প্রার্থী তথা মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণন উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী ঘোষিত হয়েছেন। রাজ্যসভা সচিব জেনারেল পি.সি. মোদি জানান, রাধাকৃষ্ণন পেয়েছেন মোট ৪৫২টি প্রথম পছন্দের ভোট। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী, প্রাক্তন বিচারপতি সুদর্শন রেড্ডি পান ৩০০টি প্রথম পছন্দের ভোট। অর্থাৎ ১৫২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেন রাধাকৃষ্ণন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া চলে। এখন রাধাকৃষ্ণন দেশের নতুন উপ-রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন।বিজেডি, বিআরএস ও শিরোমণি আকালি দল ভোট থেকে বিরত থাকে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দলগুলি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করল। বিজু জনতা দল(বিজেডি), ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) এবং শিরোমণি আকালি দল (এসএডি) ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।বিজেডি জানায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটদুই শিবির থেকেই সমদূরত্ব বজায় রাখাই তাদের নীতি। বিআরএস কার্যনির্বাহী সভাপতি কে.টি. রামা রাও বলেন, তেলেঙ্গানার কৃষকদের ইউরিয়ার সংকট নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়েই উদাসীন। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করতেই ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিরোমণি আকালি দল এই নির্বাচন বয়কট করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বন্ধ ছিল, ফের পেনশনের আবেদন জগদীপ ধনখড়ের

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় দক্ষিণ দিল্লির ছাত্তরপুর এনক্লেভে ব্যক্তিগত আবাসনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি আবারও রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য (এমএলএ) হিসেবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৭৪ বছর বয়সী ধনখড়কে সংসদ ভবন চত্বর সংলগ্ন চার্চ রোডে অবস্থিত উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন খালি করতে হবে। গত ২১ জুলাই তিনি স্বাস্থ্যজনিত কারণে পদত্যাগ করেন।ধনখড় গত বছরের এপ্রিলে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে ওঠেন। সরকারি আবাসন মেলানো পর্যন্ত তিনি ছাত্তরপুর এনক্লেভেই থাকবেন বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ করা হয়। এর দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের এস্টেটস দফতর। যদিও সূত্রের খবর, দফতরের আধিকারিকেরা ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেও নতুন আবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।ধনখড়ের দফতর ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসস্থানের আবেদন জমা দিয়েছে। সাধারণত বিকল্প বাংলো প্রস্তাব দেওয়ার পর নির্বাচন ও সিপিডব্লিউডি-র সংস্কারকাজ মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন মাস সময় লাগে। তাই এর মধ্যেই তিনি আপাতত ব্যক্তিগত আবাসনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে ধনখড় রাজস্থান বিধানসভার সচিবালয়ে বিধায়ক পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি কিশনগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এমএলএ ছিলেন। তখন থেকে তিনি বিধায়ক পেনশন পেতেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়। ২০২২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।সূত্রের খবর, ধনখড়ের আবেদন ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, একবারের বিধায়ক পেনশন মাসে ৩৫,০০০ টাকা। বয়স ও মেয়াদের ভিত্তিতে তা বাড়ে। ৭০ বছরের বেশি হলে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি মেলে। ফলে ধনখড়ের ক্ষেত্রে মাসিক পেনশন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪২,০০০ টাকা।এছাড়া, তিনি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মাসিক পেনশন এবং প্রাক্তন সাংসদ (১৯৮৯-১৯৯১, ঝুঝনু) হিসেবে আরও প্রায় ৪৫,০০০ টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজনীতি

সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শমীকের হুঙ্কার: "কেবল ২০০টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি"

সকল নিয়ম মেনে গতকাল সংগঠন পর্বের পর আজ সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল রাজ্য সভাপতি সংবর্ধনা সমারোহ। এই পর্বে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতী শুভেন্দু অধিকারী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একাদশতম সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শ, নিষ্ঠার সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অসাধারণ বাগ্মিতা, বক্তব্য রাখার সহজাত ক্ষমতা শুরু থেকেই মানুষের নজর কেড়েছিল। ধীরে ধীরে দলের যুব মোর্চার সম্পাদক, পরে তিন বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। দীর্ঘদিন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অবস্থান টেলিভিশনে দৃঢ়তার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ ৪০৪২ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পার্টির কাজ দেখা, দলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেছেন নিরলসভাবে।২০০৬ সালে প্রথমবার নির্বাচনে লড়েন শ্যামপুকুর থেকে। তারপর ২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা, সেই বছরেই বসিরহাট দক্ষিণ উপনির্বাচন, ২০১৯ দমদম লোকসভা ও ২০২১ এ রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা। ২০১৪ তে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে রাজ্যে বিজেপির প্রথম নির্বাচিত বিধায়ক হন। মাত্র ১৮ মাসের বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর বক্তৃতার যুক্তিবোধ, কার্যকারিতা এবং স্বচ্ছতা বিধানসভায় সকলের নজর কাড়ে।তিনি বরাবর বলেন, সাংগঠনিক গোপনীয়তা, মতাদর্শের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস, নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যই একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক শর্ত। ২০২৪ সালে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন। তাঁর দক্ষতা, তাঁর অভিজ্ঞতা, তাঁর মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায় সেই ক্ষেত্রেও। আজ নবীন প্রবীণ সকল কার্যকর্তার ভালোবাসা ও আবেগের মধ্যে দিয়ে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে যেন এক নতুন মাত্রা যোগ করল। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন, তৃণমূলের বিসর্জনই ভারতীয় জনতা পার্টির একমাত্র লক্ষ্য। কেবল দুশো টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি এবং ২০২৬ সালে বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসবে এবং প্রশাসনিক কার্য পরিচালিত হবে রাইটার্স বিল্ডিং থেকে, নবান্ন থেকে নয়। এদিন কর্মীদের উদ্দেশ্যেও তিনি আসন্ন লড়াইয়ে সকলে মিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটিতে ২০২৬ ভোটের লড়াইয়ের শপথ বিজেপির, অভিষেক নয়া রাজ্য সভাপতির

ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সংগঠনপর্ব অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছেছে বুধবার। আজ চূড়ান্ত পর্বে প্রদেশ দপ্তরে ৬০ জন কার্যকর্তা রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেগুলি গৃহীত হয়েছে।রাজ্য সভাপতি পদে মাত্র একটি পদ্ধতিগতভাবে সঠিক মনোনয়ন জমা পড়েছে। সেটাও গ্রহণ করা হয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের নাম সভাপতি হিসাবে ঘোষণা শুধু বাকি। বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটির সভায় তাঁকে সভাপতি হিসাবে বরণ করা হবে দলের পক্ষ থেকে। আগামীকাল সাইন্স সিটিতে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন ও অভিনন্দন সমারোহ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষিত হবে।এদিন মুরলীধর সেন লেনের পার্টি অফিসের বাইরে রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিকেলের চা ও টোস্ট খেলেন। এই চায়ের দোকানের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িত রয়েছে। নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মজীবনে বহুবার এই চায়ের দোকানে সময় কাটিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপির রাজ্য জুড়ে শক্তিশালী দল হয়ে ওঠার পুরো মাত্রায় সাক্ষী ছিল এই ছোট্ট দোকানটি। পড়ন্ত বিকেলে তাই সেখানেই একটু স্মৃতিচারণা...আজ কলকাতা বিমানবন্দরে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে স্বাগত জানালেন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।আগামীকাল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্য সভাপতি অভিনন্দন সমারোহ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সম্মাননীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য পদাধিকারীগণের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০২, ২০২৫
রাজ্য

২৫ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, বর্ধমানে ফের দায়িত্বে অভিজিৎ তা

ফের বর্ধমান জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। শুক্রবার রাজ্যে বিজেপির ২৫টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার বিধায়ক দীপক বর্মন। তৃতীয় দফায় বর্ধমান দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। এর আগে প্রথম দফায় সভাপতি থাকার সময় পুরো তিন বছর নয় এক বছর সময় পেয়েছিলেন। অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে পুরো মেয়াদ ছিলেন না। তাছাড়া সামনে ২০২৬ বিধানসভা ভোট। এই সময় আর করে সভাপতি বদল করার কথা ভাবেনি বিজেপি। শুধু বর্ধমান না অনেক ক্ষেত্রেই জেলা সাংগঠনিক সভাপতি পরিবর্তন করেনি বঙ্গ বিজেপি।

মার্চ ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘আমার দোষ নয়’! দুর্ঘটনার পর হাসপাতালের বেড থেকেই চাঞ্চল্যকর দাবি গেটম্যানের

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ স্টেশনের কাছে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার পর তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। প্রথমে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, গেটম্যান ভুল করে রেলগেট খুলে দেওয়াতেই ট্রেনের সামনে চলে যায় স্কুলপড়ুয়াদের পুলকার। সেই দুর্ঘটনায় চার পড়ুয়া এবং এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়। তবে এবার হাসপাতালের বেড থেকে মুখ খুলে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গেটম্যান অনুপ কর্মকার।দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতার গণধোলাইয়ের শিকার হন অনুপ কর্মকার। তাঁর পায়ে গুরুতর চোট লাগে। বর্তমানে তিনি বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। পাশাপাশি পুলিশও তাঁকে গ্রেফতার করেছে। তবে তাঁর দাবি, এই দুর্ঘটনার জন্য তিনি একা দায়ী নন।অনুপ কর্মকারের বক্তব্য, প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী আপ এবং ডাউন লাইনের ট্রেনের তথ্য তাঁকে দেওয়া হয়। আপ লাইনের ট্রেন স্টেশন ছাড়ার সময় স্টেশন মাস্টার ফোন করে গেট বন্ধ করার নির্দেশ দেন। ঘটনার দিন আপ লাইনের ট্রেনের খবর পেলেও ডাউন লাইনের ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে, সেই তথ্য তাঁকে জানানো হয়নি। তাঁর আরও দাবি, তখন ডাউন লাইনের সিগন্যালও লাল ছিল। তাই তিনি মনে করেছিলেন, এখনও কিছু সময় রয়েছে। সেই কারণেই গেট খুলেছিলেন। ঠিক তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে এবং মুহূর্তের মধ্যেই দ্রুতগতির ট্রেন এসে ধাক্কা মারে।গেটম্যান আরও দাবি করেছেন, ট্রেনের হর্নও তিনি শুনতে পাননি। পাশাপাশি তাঁর কেবিন থেকে ডাউন লাইনের ট্রেন আসছে কি না, তা স্পষ্ট দেখা যায় না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাই স্টেশন মাস্টারের কাছ থেকে তথ্য না পাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর অভিযোগ।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেছিলেন, গেটম্যান মদ্যপ অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগে নতুন মোড় এসেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ব্রেথ অ্যানালাইজার এবং রক্ত ও মূত্র পরীক্ষায় গেটম্যানের শরীরে মদের কোনও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে মদ্যপ অবস্থায় দায়িত্ব পালনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে রেলের তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অঞ্জন দত্ত থেকে তিন খুদে, জাতীয় পুরস্কারে বাংলার জয়জয়কার

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবারও দেশের সেরা ছবি, অভিনেতা, অভিনেত্রী এবং বিভিন্ন বিভাগের সেরা শিল্পীদের সম্মানিত করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। এবারের পুরস্কারে বাংলার ঝুলিতে এসেছে একাধিক সাফল্য। সেরা বাংলা ছবির সম্মান পেয়েছে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত চালচিত্র এখন। পাশাপাশি আরও একটি বড় সুখবর এসেছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জন্য।পরিচালক সৌরভ পালোধীর অঙ্ক কি কঠিন ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিন শিশু শিল্পী। শিশু শিল্পী বিভাগে সম্মান অর্জন করেছেন ঋদ্ধিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, তপোময় দেব এবং গীতশ্রী চক্রবর্তী। একই ছবির তিন খুদের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য বিশেষ গর্বের মুহূর্ত বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র মহল। ছবিটির প্রযোজক রানা সরকার।চালচিত্র এখন ছবির গল্প তৈরি হয়েছে পরিচালক মৃণাল সেনের চালচিত্র ছবির শুটিংয়ের সময়কার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে। সেই সময়ের তরুণ অভিনেতা অঞ্জন দত্ত এবং তাঁর গুরু মৃণাল সেনের সম্পর্ক, শেখার অভিজ্ঞতা ও মানসিক টানাপোড়েন এই ছবির মূল বিষয়।জাতীয় পুরস্কারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই উচ্ছ্বসিত পরিচালক সৌরভ পালোধী। তিনি জানান, এই সম্মান গোটা দলের জন্য বিরাট প্রাপ্তি। তাঁর কথায়, এক ছবির তিন শিশু শিল্পীর জাতীয় পুরস্কার পাওয়া সত্যিই বিরল ঘটনা। এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি তিন খুদের পাশাপাশি প্রযোজক রানা সরকার এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষক কৃষ্ণেন্দু সাহাকেও দিয়েছেন। পরিচালক বলেন, এই সম্মান গোটা দলের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি এবং বাংলা সিনেমার জন্য গর্বের মুহূর্ত।

জুলাই ১৮, ২০২৬
দেশ

২০ দিনের অনশনে শরীর ভেঙে পড়েছে! সোনমকে ঘিরে বড় আশঙ্কা চিকিৎসকদের

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সকালে দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। টানা ২০ দিন অনশনে থাকার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, তিনি স্যালাইন, ওষুধ বা অন্য কোনও চিকিৎসা নিতে রাজি হননি। চিকিৎসকেরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জুন থেকে যন্তর-মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর প্রায় ৯ কেজি ওজন কমে গেছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এই অবস্থায় অনশন চলতে থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির উপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শনিবার প্রকাশিত হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ সত্ত্বেও সোনম কোনও ধরনের স্যালাইন, ওআরএস বা ওষুধ গ্রহণ করতে চাননি। তাই তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা গ্রহণে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় পৌনে আটটা নাগাদ ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি সচেতন ছিলেন। তাঁর রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শরীরে জলের ঘাটতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ অনশনের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছেন।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নিয়মিত নজর রাখার কথাও বলা হয়। সেই নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসিকে নিয়ে বড় রহস্য! কোচের দুই শব্দে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, হয়তো এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে (Fifa World Cup)। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেসি শুধু খেলেনই না, নিজের নেতৃত্বে আর্জেন্টিনাকে আরও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলে আনেন। এবার নতুন প্রশ্ন, স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল কি দেশের জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ?ফাইনালের আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। তবে তিনি সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। শুধু বলেন, লিওকে জিজ্ঞাসা করুন। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে ফুটবল মহলে (Fifa World Cup)।এরপর অবশ্য মেসির ভূয়সী প্রশংসা করেন স্কালোনি। তাঁর কথায়, মেসি এখন শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি ফুটবল ইতিহাসের অংশ। ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব। স্কালোনি বলেন, যতদিন মেসি মাঠে আছেন, ততদিন তাঁর খেলা উপভোগ করাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এই দলের সঙ্গে মেসি যা অর্জন করেছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Fifa World Cup)।ফাইনালের আগে প্রতিযোগিতার সূচি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ। তাঁর অভিযোগ, নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ না দিয়েই দুপুরের গরমে অনুশীলনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দলের প্রস্তুতিতে সমস্যা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্কালোনির মতে, টুর্নামেন্টের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলেও বাস্তবে উল্টো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে।এদিকে, ব্রাজিলের কাফুর পর বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামছেন মেসি। ফাইনালের আগে চাপ অনুভব করছেন কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল এখন অতীত। সেই স্মৃতি নিয়ে আর ভাবছেন না তিনি। বরং দলকে নিয়ে নতুন লড়াইয়ের দিকেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন। মেসির বিশ্বাস, ফুটবল সবসময় উপভোগ করার খেলা। ছোটবেলার মতো আজও সেই আনন্দ নিয়েই তিনি মাঠে নামতে চান।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর ফিরল নিখোঁজ জাতীয় শ্যুটার! ঘর ছাড়ার আসল কারণ জানতেই চমকে উঠছে সবাই

দুদিনের উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান। অবশেষে বাড়ি ফিরেছে হাওড়ার প্রতিভাবান কিশোরী শ্যুটার দময়ন্তী সেন। ভোরবেলা হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা। মেয়েকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন সবাই।দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, মেয়ের উপর পড়াশোনা এবং খেলাধুলাদুই দিক থেকেই মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় পড়ার চাপ বাড়ছিল। অন্যদিকে নিয়মিত অনুশীলনের কারণে স্কুলে উপস্থিতি কমে যাচ্ছিল। এ নিয়ে স্কুল থেকে অভিভাবকদেরও ডাকা হয়েছিল। তবে দময়ন্তীর ইচ্ছে ছিল খেলাধুলাতেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার। সেই বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংস্থাকেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।বাবার কথায়, দময়ন্তী নিজেই ফিরে এসেছে। সে জানিয়েছে, সারারাত ঘুমায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে হেঁটেছে। পথে এক তরুণী তাকে খাবার খেতে দিয়েছিলেন। অনেকেই সাহায্য করেছেন, কিন্তু কেউ তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি। মেয়ের এই কথায় পরিবার যেমন কিছুটা আশ্বস্ত, তেমনই এখনও পুরো ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা চলছে।দময়ন্তীর বাবা রাজ্য পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর দাবি, সারা রাত পুলিশ নিয়মিত মেয়ের গতিবিধির খবর দিয়েছে। কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাতায়াত করছে, সব তথ্য জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁদের বিশ্বাস ছিল, মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়া যাবে।হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পড়াশোনা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে কিছু মতভেদ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দময়ন্তী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। বর্তমানে সে পরিবারের সঙ্গেই রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সে কোথায় কোথায় ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পার্টি অফিস ভাঙতেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব’, হুঁশিয়ারিতে তোলপাড় রাজনীতি

আমতলায় একটি তৃণমূল পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে দখল করা জমির উপর তৈরি হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে নোটিস পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কেউ হাজির না হওয়ায় শনিবার বুলডোজার দিয়ে ওই কার্যালয় ভেঙে ফেলা হয়।ঘটনার পর মুখ খুলেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রত্যেক কাজেরই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে তাঁদের সরকার ক্ষমতায় এলে একই আইনের আওতায় সমস্ত ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যদি তিনি সুস্থ ও জীবিত থাকেন, তাহলে আইন মেনেই সবকিছুর উত্তর দেবেন।অভিষেকের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে বিজেপির নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তাঁর দাবি, যাঁরা রাজনৈতিকভাবে তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তাঁদেরই প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিয়ে গিয়ে পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাস্থলে কোনও কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে রেখে দেওয়া হলে তার দায় কার হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে।তৃণমূল সাংসদ আরও জানান, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবে তাঁর দল। তাঁর অভিযোগ, মুখ ঢেকে কিছু লোক পার্টি অফিস ভাঙচুরে অংশ নিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।অন্যদিকে, প্রশাসনের দাবি, জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি প্রক্রিয়া মেনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এখন এই ইস্যু আদালত এবং রাজনৈতিক ময়দানে কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

‘একজন ফিরলেই এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ’! বিদ্রোহীদের প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

তৃণমূল ছেড়ে অন্য শিবিরে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, যদি তাঁর জন্যই কেউ তৃণমূল ছেড়ে থাকেন, তাহলে সেই নেতা ফিরে এলেই তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক নেতা, বিধায়ক এবং সাংসদ দল ছেড়ে অন্য শিবিরে যোগ দেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, দলের পরাজয়ের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। কেউ আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ অভিযোগ করেন, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভিষেকের একচ্ছত্র প্রভাবই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।এই সমস্ত অভিযোগের জবাব দিতে গিয়েই শনিবার অভিষেক বলেন, যাঁদের সমস্যা তাঁর সঙ্গে, তাঁরা ফিরে আসুন। তিনি এক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করবেন। তাঁর দাবি, যদি পরাজয়ের দায় তাঁর হয়, তাহলে অতীতে দলের জয়ের কৃতিত্বও তাঁরই হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, মানুষ সব দেখছেন এবং সব বোঝেন।এখানেই থামেননি অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা দল ছেড়েছেন, তাঁদের অনেকেই বিশেষ সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য শিবিরে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে আক্রমণ করলেই তদন্তকারী সংস্থার চাপ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এমন আশ্বাস দিয়েই অনেককে দলবদল করানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী নেতাদের উদ্দেশে অভিষেকের পদত্যাগের শর্তে ছুড়ে দেওয়া এই চ্যালেঞ্জ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্কুলের মিড-ডে মিল—খাদ্য খাতে বড় বরাদ্দ বৃদ্ধি রাজ্য সরকারের, ১ অগস্ট থেকে কার্যকর নতুন হার

নিজস্ব সংবাদদাতা: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে হাসপাতালের ভর্তি রোগী এবং সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর এবং স্কুল শিক্ষা দফতর ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পৃথক নির্দেশিকা জারি করে হাসপাতালের ফুল রাইস ডায়েট এবং পিএম পোষণ (মিড-ডে মিল) প্রকল্পে রান্নার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। নতুন হার ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের খরচ প্রায় দ্বিগুণস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের জারি করা মেমো অনুযায়ী, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীদের জন্য ফুল রাইস ডায়েট বাবদ বরাদ্দ প্রতিদিন প্রতি রোগী ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে।সরকারের বক্তব্য, খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং রোগীদের আরও উন্নত মানের খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ দফতরের অনুমোদনের পর এই সংশোধিত হার কার্যকর করা হচ্ছে।প্রাথমিক পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলেও বাড়ল রান্নার খরচঅন্যদিকে, স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বালবাটিকা (প্রি-প্রাইমারি) ও প্রাথমিক স্তরের সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পিএম পোষণ প্রকল্পের অধীনে রান্নার খরচে রাজ্যের অংশ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।এতদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী রান্নার খরচ ছিল প্রতি ছাত্রছাত্রী ৬.৭৮ টাকা। রাজ্য সরকার অতিরিক্ত ৩.২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় মোট রান্নার খরচ বেড়ে প্রতি ছাত্রছাত্রী ১০ টাকা হবে। এই নতুন হারও ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারের উদ্যোগসরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের রোগীদের উন্নত খাদ্য সরবরাহ এবং স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজন নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।নতুন বরাদ্দ কার্যকর হলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের খাদ্যের মানোন্নয়ন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিলের রান্নার ব্যয় নির্বাহে প্রশাসনের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal